ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব এবং কেন গুরুত্বর্পূণ? ইংরেজী কেন শিখবেন কিভাবে শিখবেন?

আসসালামু আলাইকুম,  আশা করছি সবাই ভালো আছেন।  হয়তো টাইটেল পরেই বুঝতে পারছেন আমরা কি নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি ।  আজকে আমরা ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলবো । চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক। 

আমরা কেন ইংরেজিতে কথা বলতে পারি না ?

 আচ্ছা আমি ধরে নিলাম আপনি হয়তো  একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থী ।  তাহলে যদি আমি ধরি আপনি ক্লাস ওয়ান থেকে  মোট  10 থেকে 12 বছরের মতো পড়াশোনা করেছেন।  তাহলে পরিসংখ্যান অনুযায়ী দাঁড়াই যে  আপনাকে 10 থেকে 12 টি ইংরেজি বই পড়তে হয়েছে। আর গ্রাম আস ধরলে সেই সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়াবে প্রায় 20 টিও অধিক।এবং এখন ইংরেজি পড়ে যাচ্ছেন।  ফলাফলটা কি ?  আপনাকে যদি কারও সাথে ইংরেজিতে পাঁচ মিনিট কথা বলতে দেয়া হয় আই থিঙ্ক আপনি সেটা পারবেন না। হয়তো পারলেও কয়েকজন পাড়তে পারে।  আর সেটা শতকরা হিসাব করলে  2 থেকে 5 শতাংশ মধ্য দাঁড়াবে। 

তাহলে ইংরেজি না পারার কারণ টা কি ? আমাদের ভুলটা কোথায় ?  যদি আমি সহজ করে বলি,  আমরা শিখার জন্য পড়িনা আমরা পড়ি পাস করার জন্য ।  শুনতে অবাক লাগলেও এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।  আরেকটি সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে গিয়ে আমাদের বইয়ের সিলেবাস।  আমাদের ছোট থেকেই অক্ষর শিখানো হয়,  গ্রামার শিখানো হয়,  রিডিং পড়া শিখানো হয়  কিন্তু কিভাবে একটা বাক্য সাবলীলভাবে উপস্থাপন করা যায়,  টেকনিক্যালি সহজে বাক্য গঠন করা যায়  সেগুলো আমাদের শেখানো হয় না। সৃজনশীলতা শেখানো হয় না  উল্টো কি করা হয়  ? একগাদা  প্রেগ্রাপ, কম্পোজিশন, লেটার , মুখস্ত করতে দেওয়া হয়।  ফলস্বরূপ কি দাঁড়ায়?   আমরা ইংরেজিতে কথা বলতে পারছি না।  আমি বলছি না যে আমাদের গ্রামের শেখানো  লাগবে না বাদ যাবেনা।  আমি বলতে চাচ্ছি গ্রামার কে ব্যবহার করে টেকনিক্যাল কিন্তু ইংরেজি শেখানো যায়।  আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় গ্রামার এর পাশাপাশি  টেকনিক্যালি  যদি সহজ করে নিজেদের শেখানো যায় চেষ্টা করানো হয় আশা করছি সবাই পড়তে পারবে  এবং বলতে পারবে।

ইংরেজি শিখা কেন গুরুত্বর্পূণ?

এতক্ষণ তো জানলাম আমরা কেন ইংরেজিতে কথা বলতে পারি না।  তবে সেটা আমি সবার জন্য বলছি না।  তবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী যারা  যারা ইংরেজিতে কথা বলতে পারেনা তাদের সংখ্যাটাই কিন্তু বেশি। এই ইংরেজি না পারা রান্না শেখার একটা কারণও আছে বটে।  সেটা হচ্ছে ইংরেজির গুরুত্ব সম্পর্কে জানিনা।  জানলেও অতটা গুরুত্বের সহিত দেখিনা।  ফলস্বরূপ  কি দাঁড়ায়?  আমরা দশ পনের বছর পড়াশোনা করেও ইংরেজিতে আয়ত্ত করতে পারে না।  ইংরেজির গুরুত্বটা জানা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।  আপনি শুধুমাত্র গুগোল এ গিয়ে “ the world most spoken language ”লিখে সার্চ করুন। আচ্ছা থাক, কি ফলাফল আছে সেটাই আমি আপনাদেরকে দেখিয়ে দিচ্ছি । 

the world most spoken language

হ্যাঁ,  ঠিকই দেখছেন ।  বিশ্বাস না হলে “what is the most spoken language in the world 2021”লিখে সার্চ করে দেখুন।  আপনি সহজে একটা পরিসংখ্যান পেয়ে যাবেন। আমিও সে পরিসংখ্যানটা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করছি।

বিশ্বে প্রায় ১৩৪৮  মিলিয়ন মানুষ  ইংরেজিতে কথা বলে। এবং আমার মনে হচ্ছে সে পরি

what is the most spoken language in the world 2021

সংখ্যানটা আরো বেশিও হতে পারে।  এখন হয়তো বলতে পারেন এরপর অবস্থান তো চাইনিজ ভাষা তাহলে কি আমাকে চাইনিজ ভাষা শিখতে হবে?  না আপনি নিজেই বিবেচনা করে দেখুন। চীনের জনসংখ্যা প্রায় 140 কোটি লোক অধিক।  সেখানে ১১০০  মিলিয়ন মানুষ  তাদের ভাষায় কথা  বলাটাই স্বাভাবিক।  এতগুলো পরিসংখ্যানের কথা এবার আমরা একটু বাস্তবতায় আসি।

 

হয়তো আমরা আমাদের দেশে নিজস্ব ভাষার মাধ্যমে মানুষের সাথে কথা বলতে পারি।  কিন্তু যখন বাইরের দেশ থেকে মানুষ আসবে বা তাদের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য বিষয় নিয়ে কথা বলতে হবে তখন কিন্তু আমাদের ইংরেজি জানাটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।  এখন মনে করলাম আপনি উত্তর পড়াশোনা করলেন অথবা  আপনি যে কোন একটা বিষয়  বিশেষ স্কিল রয়েছে।  এখন আপনি চাচ্ছেন আপনি দেশে কাজ না করে বা বাইরের দেশে কাজ করতে।  অথবা আপনি হয়তো বাইরের দেশে কোন একটি কোম্পানিতে জবের জন্য এপ্লাই করলেন  এবং আপনি ইন্টারভিউ এর জন্য পেয়ে গেলেন।  তখন তো আপনার সাথে বাংলাতে কথা বলবেন না ওরা কথা বলবে কিন্তু ইংরেজিতে।  বুঝতে পারছেন তখন আপনার জন্য ইংরেজিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। 

 এগুলো শুধুমাত্র একটা বিষয় ছাড়াও আমাদের অনেকগুলো বিষয় রয়েছে।  যেমন আপনি  বিশ্বের মধ্যে দেশকে উপস্থাপন করতে চাচ্ছেন ।  তখন কিন্তু সেটা বাংলা দিয়ে আপনি সকলকে বুঝাতে পারবেন না তার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে ইংরেজি ইংরেজি হচ্ছে সর্বজনীন আসা এবং এটি হচ্ছে বিশ্বের  একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য  উত্তম উপায় ।  আপনার যদি উত্তরটা জানা না থাকে তাহলে আপনি কোনদিনও সেই কাজটা করতে পারবেন না।  আর বর্তমানে আমাদের দেশে ইংরেজির গুরুত্বটা বাড়ছে।  অফিস-আদালত আপনি চাকরি করার ক্ষেত্রে এখন কিন্তু ইংরেজি দক্ষতা যাচাই বাছাই করছে।  বিশেষ করে  মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি বা ইন্ডাস্ট্রি  ক্ষেত্রে চাহিদা অনেক বেশি। 

যাইহোক অনেক কথাই বলে ফেললাম।  আমি যদি ইংরেজি শিক্ষা কেন গুরুত্বপূর্ণ  তার শাড়ীটা সহজ করে বলি কিছু পয়েন্ট আকারে তাহলে হয়তো আপনাদেরও বুঝতে সুবিধা হবে।  আমি শুধুমাত্র মূল বিষয়গুলো কথা বলছি কথা বলছি সেটার জন্য আমাদের শেখা উচিত। 

  • প্রথম কারণ হচ্ছে ইংরেজি ভাষাটি আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য একমাত্র ভাষা।  এবং একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।  আন্তর্জাতিকভাবে নিজেকে বার নিজের দেশকে যেটাই বলুক না কেন রিপ্রেজেন্ট করতে হলে বা কাজ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজি জানতে হবেই।
  • বিজনেস এর ক্ষেত্রে ইংরেজি।  আপনি যদি গ্লোবাল মার্কেটের কথা চিন্তা করেন  আপনি যদি আপনার কোন প্রোডাক্ট বা  সেবাকে সবার মাঝে জানিয়ে দিতে পারি এ যেতে চান তার জন্য আপনাকে জানতে হবে মাস্ট বি ইংরেজি।  ইংরেজি ছাড়া  আপনি আন্তর্জাতিকভাবে নিজের বিজনেস পরিচালনা করতে পারবেন না । তবে আপনাকে বিজনেস করার জন্য এগিয়ে শিখতে হবে এমন কিন্তু কথা না ।  আপনি কিন্তু চাইলে ইংরেজি শিখে দুভাসি হিসেবে কাজ করতে পারেন।
  • এবার দেখুন ইন্টারনেট জগতের ক্ষেত্রে এর প্রভাব কতটুকু।  আপনি কি উপরে ডোমেইনটা দেখছেন সেটা কিন্তু বাংলাতে লিখা নয় সেটা কিন্তু ইংরেজীতেই লিখ।  এতে গুলো ছোট একটি উদাহরণ।  আপনি নির্দিষ্ট যে কোন একটি বিষয় খোঁজাখুঁজি করতে বা রিসার্স করতে হলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজি জানতে হবে কারণ আমাদের নিজস্ব ভাষায় এগুলো অতটা সম্পৃক্ত নয়। আপনার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে হলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজি বিশ্বের উপর নির্ভর করতে হবে।
  •  তথ্য প্রযুক্তির যুগে ইংরেজি শিক্ষার গুরুত্ব ।

কিভাবে ইংরেজি শিখব ?

আবারো বলছি ইংরেজি একটি ভাষা সেটা পরীক্ষায় পাস করার জন্য কোন একটি বিষয় নয়।  আমরা যদি নিজেদের মাতৃভাষা দিকে লক্ষ্য করি।  আমরা কিন্তু সেই বাংলা ভাষাটা একদিনে বলতে পারেনি।  প্রথম মানুষ কি বলে সেটা বুঝেছি, কিভাবে কথা বললে সেটা দেখেছি এরপর নিজে বলার চেষ্টা করেছি এভাবে একসময় ধীরে ধীরে আমাদের বয়স যখন তিন ,চার বা পাঁচ বছর হয় তখন আমরা মোটামুটি  অর্থবোধক  ভাষায়  কথা বলতে পারি ।  আমাদের মাতৃভাষা যেরকম একটি ভাষা তেমনি একটি ভাষা।  আপনি একদিনে বা এক মাসের ভিতরে আয়ত্ত করে ফেলতে পারবেন এমন কোন কথা নয়। তাহলে কি করা উচিত?  সেটা নিয়ে একটু জানা যাক ।  আপনাদের বোঝার সুবিধার্থে আমি পয়েন্ট আকারে বলছি।

  • লক্ষ্য ঠিক করুন :  সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে গিয়ে লক্ষ্য ঠিক করা। তবে সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে গিয়ে আমরা এই বিষয়টাই বেশি ভুল করে থাকি। কারণ আমরা লক্ষ্য ঠিক ভাবে ঠিক করে না আমরা যতক্ষণ করতে পারব তত গ্রহণ করে না তার চেয়েও বেশি আশা করি ফলস্বরূপ আমার নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে না।  আমাদের প্রথম কাজ হবে সঠিক ভাবে লক্ষ্য নির্ধারণ করা। হয়তো বলতে পারেন আমরা কিভাবে লক্ষ্যটা নির্ধারণ করতে পারি। এখন সেগুলো নিয়ে জানব । আপনি একসাথে দু-তিনটা জিনিস ভুলেও করতে যাবেন না।  আপনি যদি লক্ষ্য হয় ইংরেজি শেখা তাহলে আপনি ইংরেজি শেখা টাকে  ফোকাস করুন। তারপর
  • পরিকল্পনা করুন : আপনি কিভাবে কাজটি সম্পন্ন করবেন সেটা একটি পরিকল্পনা করুন।  ভুলেও আপনি এক মাসের ভিতরে পড়েছে শেষ করবেন না শিখতে পারবেন এরকম পরিকল্পনা করবেন না। কেন আমি আগে বলেছি নিজে একটি ভাষাএটি কোনো বই নয়। তাই এটি শিখার জন্য আপনাকে পর্যাপ্ত পরিমানে সময় দিতে হবে।  আপনি আপনার এবিলিটি উপর  নির্ভর করে  তিন থেকে ছয় মাস  বা আপনার সুবিধামতো সময় নিয়ে একটি পরিকল্পনা তৈরি করতে পারেন।
  • সঠিক সময় নির্ধারণ করুন : লক্ষ্য নির্ধারণ  ও পরিকল্পনার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নির্দিষ্ট সময়।  হয়তো আপনি আপনার পরিকল্পনা রাখলেন আপনি প্রতিদিন 5 ঘন্টা করে ইংরেজি চর্চা করবেন।  ভাল কথা তবে ভুলেও 5 ঘন্টা একসাথে চর্চা করতে যাবেন না।  এতে উল্টা আপনার ক্ষতি হতে পারে ।  চেষ্টা করবেন ভেঙে ভেঙে পড়ার ।  যেমন:  সকালে হয়তো আপনি 2 ঘণ্টা পড়লেন:  দুপুরের সময় বের করে  এক ঘন্টা পড়লেন,  সন্ধ্যায় এক ঘন্টা পড়তে বসলে এবং  এবং বাকি এক ঘন্টায় রাতে বসে আজকে দিনে যা যা করছেন তা একবার রিভিশন দিয়ে  দিলেন।  এতে কি আপনি যা পড়ছেন তারা মারা যাবেন এবং কোথায় কোথায় আপনার ভুল হচ্ছে সে সম্পর্কে আপনি একটি ধারণা পেয়ে যাবেন।
  •  লজ্জা  দূর করুন : আমাদের সবার একটি চিরচেনা রূপ হচ্ছে লজ্জায় কথা না বলা।  আর সেটা যদি ইংরেজি ভাষায় হয় আর তো কোন কথাই নেই কথা বলাই বন্ধ মনে হয় । আর বার্ষিক তোলা আপনাকে অবশ্যই লজ্জা ভাঙতে হবে মানুষের সাথে কথা বলতে হবে।  আর এই সমস্যা দূর করার জন্য আপনি প্রথমে হয়তো আয়নার সামনে  দাঁড়িয়ে প্র্যাকটিস করতে পারেন।  এতেকরে হবে কি আপনার যে লজ্জা ভাব আছে সেটাকে যাবে।  এছাড়া আপনি আরেকটি উপায় কাজে লাগাতে পারেন সেটা হচ্ছে গিয়ে আপনি আপনার ভয়েস রেকর্ড করে কাজটা করতে পারেন।

ধরুন,  আপনি একটি ডায়লগ প্র্যাকটিস করতে চাচ্ছেন।  সে ক্ষেত্রে আপনি একবার প্রথম ব্যক্তি আপনি বাদ দিয়ে দিবেন এবং দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে আপনি কথোপকথন চালিয়ে যাবেন।  এতেকরে হবে কি আপনাদের লজ্জা ভয় আছে সেটা আস্তে আস্তে কেটে যাবে। আপনি ভয় যত দ্রুত করতে পারবেন তত দ্রুতই ভাষা শিখতে পারবেন।  মনে রাখতে হবে প্র্যাকটিস এর বিকল্প নেই।

  • প্র্যাকটিস করুন : যেকোনো কিছু শিখার জন্য প্র্যাকটিস এর বিকল্প আর কিছু হতে পারে না। আপনি যতই কাজ শিখে না কেন আপনার যদি  চর্চা না থাকেন প্র্যাকটিস না করেন তাহলে আপনি সঠিকভাবে শিখতে পারবেন না বা সঠিক আউটকাম   ও তা পাবেন না । তাই প্রচুর পরিমাণে প্র্যাকটিস করুন। যত বেশি প্র্যাকটিস করবেন তত বেশি আপনি শিখতে পারবেন।  প্রথম প্রথম হয়ত ভুল হবে,  তবে সেটা সমস্যা না আপনি ভুল থেকে আস্তে আস্তে শিখতে পারবেন।  তাই যত সম্ভব প্র্যাকটিস করুন এবং নির্দিষ্ট একটা সময় ঠিক করে রাখুন বা নির্দিষ্ট সময় দিয়ে রাখুন যে আপনি এ সময়টায় প্র্যাকটিস চালিয়ে যাবেন। 
  • শিক্ষকের সহায়তা নিন :আপনি যখন নিজে নিজে শিখবেন তখন হয়তো বিভিন্ন জায়গায় ভুল হতে পারে বা বিভিন্ন জায়গায় সন্দেহ থাকতে পারে সেগুলো দূর করার জন্য আপনি শিক্ষকের সহায়তা নিতে পারেন।  আশা করি কোন শিক্ষককে কাউকে শিখানো নিয়ে কৃপণতা করবে না সকলেই তার সর্বোচ্চটা দিয়েই শেখানোর চেষ্টা করবে।  তাই, লজ্জ্বা না পেয়ে শিক্ষক থেকে সঠিকভাবে  শিখে নেওয়ার চেষ্টা করুন।
  • একজনকে মেন্টর রাখুন :যেকোনো কিছু শেখার ক্ষেত্রে একজন মেন্টর থাকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।  কারমেন কোন কিছু শেখা একপ্রকার নৌকার মাঝি নৌকার মতই অবস্থা।  তাই অবশ্যই আপনি একজন মানুষকে অনুসরণ করবেন।

 

আর বেশি কিছু বলব না আপনি উপরোক্ত বিষয়গুলো একটু মনোযোগ সহকারে লক্ষ্য করুন এবং আপনার ভুলগুলো কোথায় সেটা ধরার চেষ্টা করুন ইনশাল্লাহ আপনি ভাল ভাবে ইংরেজি শিখতে পারবেন। 

 কোথা থেকে শিখব ?

বর্তমানে আমরা আপনি নানা প্ল্যাটফর্ম থেকে শিখতে পারেন।  বর্তমানে অনেক অনলাইন লার্নিং প্লাটফর্মে বিভিন্ন কোর্স প্রবেশ করছে আপনি একটু ঘাটাঘাটি করলেই পেয়ে যাবেন।  আপনি ডিফেন্স করতে চান ইউটিউব একটু সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।  তবে আমার পার্সোনালিটি কেমন থাকবে অনলাইনে উপর নির্ভর না করে আপনি অফলাইনে কোর্স করার চেষ্টা করবেন।  অনলাইন লাইভ ক্লাস নেয় ভালো মনিটরিং করে এরকম ভাবে কাজ করার চেষ্টা করবেন।

   কোর্স  কিনে শিখলে অসুবিধা কি?

 আসলে সুবিধা-অসুবিধা একমাত্র আপনার উপর নির্ভর করবে।  তবে কমন যে প্রবলেমটা হয় সেটা হচ্ছে গিয়ে  সঠিক গাইড পাওয়া যায় না।  আমরা যেরকম ফিজিক্যালি ক্লাস করলে একটা তাকিয়ে থাকে আমাদের পাড়াটা পড়তে হবে এই কাজটা করতে হবে জমা দিতে হবে কিন্তু অনলাইনে সেই জিনিসটা নেই।  ফলস্বরূপ কি হয় প্রথম দুই এক দিন সিরিয়াস থাকলেও পরবর্তীতে সিরিয়াসনেস কাজ করে না। আপনার সবকিছু আপনার কাছেই।  আপনাদের সত্যিই শিখতে চান তাহলে আপনি কোর্সগুলো করেও শিখতে পারেন।  যদি মনে করেন যে আপনার ভিতরে সিরিয়াসনেস ঠিক কাজ করবেনা  তাহলে আমি রিকোয়েস্ট করব আপনি একটি অনলাইন কোর্স ফিজিক্যালি করে নিন।  এতে করে আপনি মেন্টরশিপ পাবেন এবং পড়ার চাপ থাকবে ফলে আপনি নিয়মিত পড়া শিখবেন।

 শেষ কথা, 

আজ এ পর্যন্তই আশা করছি আপনাদের কাজে দিবে আমার কথাগুলো।  ইনশাআল্লাহ চেষ্টা ইচ্ছাশক্তি থাকলে আপনি অবশ্যই ইংরেজি শিখতে পারবেন।  আপনার জন্য শুভকামনা রইল।  আপনি যদি ইংরেজি নিয়ে আরও রির্সোস বা বই  পেতেচান অবশ্য আমাদের জানাবেন  আমরা দেয়ার চেষ্টা করব । 

Leave a Comment